তথ্যের অধিকার আইন, 2005 উপর প্রশ্ন (প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী)
জুন 2013 হিসাবে

প্রশ্ন : ১। তথ্যের অধিকার আইন, ২০০৫ কবে থেকে চালু হয়েছিল?
উত্তরঃ ১২ই অক্টোবর, ২০০৫ সালে এই আইন চালু হয়েছিল।

প্রশ্ন : ২। কারা এই আইনের আওতায় পড়েন?
উত্তরঃ ভারতে সমস্ত নাগরিক এই আইনের আওতায় পড়েন। তথ্যের অধিকার আইন জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য ব্যতীত দেশের সর্বত্র প্রযোজ্য।

প্রশ্ন :৩। ত্রিপুরা রাজ্যে তথ্য আয়োগ কবে গঠিত হয়েছিল?
উত্তরঃ ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৫ সালে ত্রিপুরা রাজ্যে তথ্য আয়োগ গঠিত হয়েছিল।

প্রশ্ন :৪। তথ্যের অধিকার আইন রুপায়নের জন্য ত্রিপুরা রাজ্যে কোন নিয়ম (rule) আছে কি?
উত্তরঃ ত্রিপুরা তথ্যের অধিকার নিয়মাবলী ২০০৮ সালে গঠন করা হয় যাহা ৪ঠা ফেব্রুয়ারী, ২০০৮ সাল থেকে কার্যকারী হয়।

প্রশ্ন :৫। রাজ্য তথ্য আয়োগ কোথায় অবস্থিত?

উত্তরঃ ত্রিপুরা তথ্য আয়োগের ঠিকানা: সেক্রেটারিয়েট এনেক্সার বিল্ডিং, পন্ডিত নেহরু কমপ্লেক্স, আগরতলা -৭৯৯০০৬, দূরভাষ: (০৩৮১)২৩২-৬৫৬১/২৩২-৪১৪৬, ফ্যাক্স: (০৩৮১)২৩১-৪০২১
ই-মেইল:tripura.info123@gmail.com এবং ওয়েবসাইট: www. rtitripura.nic.in

প্রশ্ন :৬। তথ্য বলতে কি বোঝায়?
উত্তরঃ তথ্যের অধিকার আইন,২০০৫–এর ধারা ২ উপধারা (b) অনুসারে তথ্য বলতে যে কোন আকারের বিষয়সমুহ বুঝায় যেমন লিপিবদ্ধ নথি (records), দলিল, স্মারকলিপি, বৈদুতিন ডাক(e-mail), মত উপদেশ বা পরামর্শ, প্রকাশিত অনুমোদিত সংবাদ, বিজ্ঞপ্তি, আদেশ, যানবাহনের চলাচলের তথ্য সম্বলিত নথি, প্রতিবেদন, কাগজপত্র, নমুনা, প্রতিরুপ, বৈদুতিন মাধ্যমে সংরক্ষিত কোন তথ্য এবং জন কর্তৃপক্ষের অধীনে রক্ষিত কোন বেসরকারী সংস্থা সম্পর্কিত তথ্য।

প্রশ্ন :৭। তথ্যের অধিকার আইন,২০০৫ –এর অধীনে একজন নাগরিকের অধিকার বলতে কী বোঝায়?
উত্তরঃ এই অধিকারের মধ্যে আছে ১। কাজকর্ম, দলিল, লিপিবদ্ধ নথি পরিদর্শন করা ২। দলিল বা লিপিবদ্ধ নথির শংসাপত্র (certified copy) নেওয়া, ৩। কোন বস্তুর শংসায়িত নমুনা নেওয়া, ৪। নানা ধরণ ও মাধ্যমে রক্ষিত বিভিন্ন তথ্য যেমন ডিস্ক, ফ্লপি, টেপ, ভিডিও ক্যাসেট অথবা অন্য কোন বৈদুতিন পদ্ধতিতে রাখা তথ্য পাওয়া।

প্রশ্ন :৮। কোন তথ্যের আংশিক প্রকাশ অনুমোদনযোগ্য?
উত্তরঃ তথ্যের অধিকার আইনের ধারা ১০ অনুযায়ী রাজ্য জন তথ্য আধিকারিক প্রকাশের দায় থেকে ছাড়প্রাপ্ত অংশ আলাদা করে প্রার্থিত রেকর্ডের কেবলমাত্র অংশবিশেষ প্রকাশ্য করতে পারেন।

প্রশ্ন :৯। “জন কর্তৃপক্ষ” মানে কি?
উত্তরঃ “জন কর্তৃপক্ষ” বলতে বোঝায় সেইসব কর্তৃপক্ষ, সংস্থা বা স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানকে যেগুলি-১। সংবিধানের দ্বারা বা সংবিধান অনুসারে স্থাপিত বা গঠিত।২। লোকসভা বা রাজ্য বিধানসভা দ্বারা প্রনীত অন্য কোন আইন অনুসারে স্থাপিত বা গঠিত।৩। রাজ্য সরকারের প্রশাসনে বা আদেশনামানুসারে স্থাপিত বা গঠিত।৪। সরকারি মালিকানা দ্বারা, সরকার নিয়ন্ত্রিত বা সংশ্লেষ্ট সরকার দ্বারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রদত্ত, অর্থে পুষ্ট ও পরিলক্ষিত সংস্থা।

প্রশ্ন :১০। জন তথ্য আধিকারিক কি?
উত্তরঃ জন কর্তৃপক্ষ আধিকারিকদের মধ্যে থেকে যাকে এই কাজের জন্য পদাধিকার ও ক্ষমতা প্রদান করবেন তিনিই জন তথ্য আধিকারিক। নাগরিকরা আইনের অধীনে তথ্য চাইলে তা দিতে তারা দায়বদ্ধ থাকবেন।

প্রশ্ন :১১। সহকারী জন তথ্য আধিকারিক কি?
উত্তরঃ জন কর্তৃপক্ষ আরও কিছু আধিকারিকদের পদাধিকার ও ক্ষমতা প্রদান করবেন যারা সহকারী জন তথ্য আধিকারিক বা হিসাবে কাজ করবেন। আইনের অধীনে কোন নাগরিক আবেদন করলে তা গ্রহন করবেন এবং দ্রুততা জন কর্তৃপক্ষ বা রাজ্য তথ্য আয়োগের কাছে পাঠিয়ে দেবেন। সহকারী রাজ্য জন তথ্য আধিকারিকদের তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে কোন দায় নেই।

প্রশ্ন :১২। তথ্যের আবেদনের ফী কত?

উত্তরঃ তথ্য চেয়ে আবেদন করলে ১০ টাকার আবেদন ফী জমা দিতে হবে যা কিনা নগদে বা ভারতীয় পোস্টাল অর্ডারের মাধ্যমে বা ট্রেজারী চালানের মাধ্যমে দেওয়া যেতে পারে। তথ্যের অধিকার আইন অনুযায়ী আবেদনের এই ফী ধার্য্য করা হয়েছে এবং ফী প্রদানের মাধ্যমে ঠিক করা হয়েছে।

প্রশ্ন :১৩। দারিদ্র সীমার নীচে আবেদনকারীর ফী কত?
উত্তরঃ আবেদনকারী যদি দরিদ্র সীমার নীচে শ্রেনীভুক্ত হয়, তাহলে তাকে আবেদনের সাথে কোনরকম ফী দিতে হবেনা হবেনা। অবশ্য, এজন্য তাকে আবেদনের সাথে প্রমানপত্র দাখিল করতে হবে।

প্রশ্ন :১৪।আবেদন করার নির্দিষ্ট নমুনা বা ফরম্যাট আছে কি?

উত্তরঃ আবেদন সাদা কাগজে করা যেতে পারে। অবশ্য দেখতে হবে তাতে যেন আবেদনকারীর নাম, ঠিকানা এবং যোগাযোগের জন্য ফোন নাম্বার থাকে। এছাড়া তথ্য চেয়ে আবেদন করার জন্য ত্রিপুরা তথ্যের অধিকার নিয়মাবলী, ২০০৮ –এ “ ফরম নং-৩ ” এর উল্লেখ করা আছে।


প্রশ্ন:১৫।তথ্য চেয়ে আবেদন করতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা ইত্যাদির প্রয়োজন আছে কি ?
উত্তরঃ না, কোন প্রয়োজন নেই।

প্রশ্ন:১৬।তথ্য চেয়ে আবেদন আবেদন করার সময় কি কোন কারন দেখাতে হয় কি? অথবা কি উদ্দেশ্যে তথ্য চাওয়া হয়েছে তার উল্লেখ করতে হয় কি?
উত্তরঃ না।

প্রশ্ন:১৭। একটি আবেদনপত্রে একের অধিক বিষয়ে তথ্য চাওয়া যায় কি?
উত্তরঃ একটি আবেদনপত্রে এক বা একাধীক বিষয়ে তথ্য চাওয়া যেতে পারে।

প্রশ্ন:১৮। একটি আবেদন প্রত্যাখানের কি কারন হতে পারে?
উত্তরঃ যদি তাহা আইনের ধারা ৮ এবং ধারা ৯ অনুসারে প্রকাশ করা থেকে ছাড় দেওয়া হয়ে থাকে অথবা আইনের দ্বিতীয় তফশীলে বর্ণিত নিরাপত্তা বাহিনী সংক্রান্ত কোন তথ্য হয়, তখন প্রত্যাখানের কারন হতে পারে।

প্রশ্ন:১৯। আবেদনকারীকে তথ্য প্রেরনের ক্ষেত্রে ডাক খরচ কে বহন করবে ?
উত্তরঃ আবেদনকারী ঠিকানায় তার প্রার্থিত তথ্য প্রেরনের অধিকার জন্য ডাক খরচ জন কর্তৃপক্ষ বহন করবে।

প্রশ্ন:২০। কোন তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের অধিকার আইনের ছাড়ের কোন সংস্থান আছে কি?

উত্তরঃ ধারা ৮-এর উপধারা (১) এবং ধারা ৯-এ বর্ণিত তথ্যগুলি প্রকাশ করা থেকে ছাড় পাবে। অবশ্য, উপধারা (২) –এ বলা হয়েছে যে উপধারা (১)-এ বর্ণিত ছাড়প্রাপ্ত তথ্য অথবা Official Secrets Act, 1923 অনুসারে ছাড়প্রাপ্ত তথ্য বৃহত্তর জনস্বার্থে প্রকাশ করা যাবে।

প্রশ্ন:২১। তথ্যের অধিকার আইন অনুসারে আবেদন করার সময় আবেদনকারী কোনরকম সহায়তা পাবে কি?
উত্তরঃ যে ব্যাক্তি লিখিতভাবে আবেদন করতে অক্ষম সে আবেদনপত্র লিখতে জন তথ্য আধিকারিকের সহায়তা চাইতে পারেন এবং জন তথ্য আধিকারিক সেই সহায়তা প্রদান করবেন। এই আইন অনুসারে যখন কোন নথী বা তার অংশ বিশেষ কোন ব্যক্তিকে দেখতে হবে এবং সেই ব্যক্তি ইন্দ্রিয় বৈকল্য জনিত অসামর্থে ভুগছেন, সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট জন তথ্য আধিকারিক তথ্যের নথী দেখবার বা পরিদর্শন করবার জন্য তাকে যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান করবেন।

প্রশ্ন:২২। তথ্য সরবরাহের সময়সীমা কতদিন?
উত্তরঃ সাধারনভাবে, আবেদন গ্রহনের দিন থেকে ৩০ দিনের মধ্যে তথ্য সরবরাহ করতে হবে। যদি সেই তথ্য ব্যক্তির জীবন বা ব্যক্তিস্বাধীনতা সম্পর্কিত হয় তাহলে তা ৪৮ ঘন্টার মধ্যে সরবরাহ করতে হবে। আবেদনপত্র সহকারী জন তথ্য আধিকারিকের কাছে জমা দিলে, ৩০ দিন সময়সীমার সাথে আরও ৫ দিন যোগ করতে হবে।


প্রশ্ন:২৩। আপিল করার সংস্থান তথ্যের অধিকার আইনে আছে কি?
উত্তরঃ যদি একজন আবেদনকারী ৩০ দিন অথবা ৪৮ ঘন্টার নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তথ্য না পেয়ে থাকেন অথবা তথ্য পেয়ে সংশ্লিষ্ট না হয়ে থাকেন তাহলে তিনি প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল দায়ের করতে পারবেন। ‘প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষ’, জন তথ্য আধিকারিকের থেকে উচ্চপদে আসীন একজন আধিকারিক হবেন। জন তথ্য আধিকারিকের তথ্য সরবরাহ করার সময়সীমা যেদিন অতিক্রান্ত হচ্ছে সেদিন থেকে অথবা জন তথ্য আধিকারিক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। আপিল কর্তৃপক্ষ আপিল পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অথবা ব্যতীক্রম ক্ষেত্রে ৪৫ দিনের মধ্যে তা বিজ্ঞপ্তি করতে হবে।


প্রশ্ন:২৪। দ্বিতীয় আপিল কখন করা যাবে ?
উত্তরঃ যদি প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করা আপিলের উপর আদেশদানে ব্যর্থ হন অথবা আবেদনকারী প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে প্রাপ্ত আদেশে সন্তুষ্ট না হন তাহলে তিনি প্রথম আপিল কর্তৃপক্ষের আদেশদানের দিন থেকে অথবা যেদিন আদেশ গ্রহন করেছেন সেইদিন থেকে ৯০ দিনের মধ্যে রাজ্য তথ্য আয়োগের কাছে দ্বিতীয় আপীল দায়ের করতে পারেন।

প্রশ্ন:২৫।কোন নাগরিক কি আয়োগের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন? পারলে কি অবস্থায় করতে পারেন ?
উত্তরঃ যদি কোন নাগরিক জন তথ্য আধিকারিকের কাছে আবেদনপত্র জমা দিতে অসমর্থ হন, হয়ত কোন কারনবশতঃ সংশ্লিষ্ট জন কর্তৃপক্ষ, জন তথ্য আধিকারিক নিযুক্ত করতে পারেন নি, অথবা সহকারী জন তথ্য আধিকারিক তার কোন আবেদন বা আপিল আবেদন বা আপিল গ্রহন করতে অস্বীকার করেছেন যদি কিনা তথ্য আধিকারিক বা আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাতে হবে, যে ক্ষেত্রে যেমন হবে, অথবা তাকে কোন তথ্য দেখাতে অস্বীকার করা হয়েছে যেটা সে চেয়েছিল, অথবা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে তার আবেদনের কোন উত্তর না দিলে, অথবা তাকে অযৌক্তিক ফী জমা দেওয়ার জন্য বলা হলে, অথবা সে যদি মনে করে, তাকে মিথ্যা বা উপদ্দেশ্যমুলক বা অসম্পূর্ণ তথ্য দেওয়া হয়েছে তাহলে সে তথ্য আয়োগের কাছে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন।

প্রশ্ন:২৬। তৃতীয় পক্ষ বলতে কি বুঝায় ?
উত্তরঃ তথ্য চেয়ে যে নাগরিক আবেদন করেছে তাকে ছাড়া অন্য ব্যক্তিকে তৃতীয় পক্ষ বলা হয়।

প্রশ্ন:২৭।তথ্য চেয়ে আবেদন করার পদ্ধতি কি?
উত্তরঃ একজন নাগরিক তথ্য পেতে ইচছুক হলে জন তথ্য আধিকারিকের কাছে বাংলা অথবা ইংরাজী অথবা হিন্দি অথবা সংবিধান স্বীকৃত কোন আঞ্চলিক ভাষায় লিখিত আবেদন করতে পারেন। আবেদনপত্রটি হবে সংক্ষিপ্ত এবং সুনির্দিষ্ট আবেদনের সাথে নিয়ম অনুযায়ী আবেদনের ফী জমা দেবেন।


প্রশ্ন:২৮। কোন সরকারী সংস্থা আছে কি যেগুলি আইন অনুযায়ী তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে ছাড় পাবেকি ?
উত্তরঃ আইনের দ্বিতীয় তফশীলে বর্ণিত কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক স্থাপিত গুপ্তবার্তাও নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠানগুলি দুর্নীতির অভিযোগ এবং মানবধিকার লঙ্ঘনের বিষয় ছাড়া অন্য বিষয়ের তথ্য প্রদানের ক্ষেত্রে ছাড় পাবে।  

প্রশ্ন:২৯। জন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তথ্য পাওয়ার জন্য আবেদনের ফী ছাড়া আর কি মুল্য দিতে হয় ?
উত্তরঃ সরকারী সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আর্থিক মুল্য রাজ্য ভেদে তফাত হয়। ত্রিপুরা রাজ্যে নিম্নলিখিত মুল্য ধার্য্য করা হয়েছেঃ কোন তথ্য A4 অথবা A3 কাগজে বা তার অংশবিশেষে প্রদান করলে প্রতি পাতার জন্য দু টাকা করে দিতে হবে। নমুনা বা মডেলের জন্য তার আসল মূল্য দিতে হবে। নথী পরিদর্শন করলে প্রথম ঘন্টার জন্য কোন ফী লাগবে না এবং পরবর্তী প্রতি ঘন্টা বা তার অংশের জন্য ৫ টাকা করে দিতে হবে। কমপিউটার ডিস্ক বা ফ্লপিতে তথ্য প্রদানের জন্য ৫০ টাকা করে দিতে হবে।

প্রশ্ন:৩০।জন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রথম আপিল এবং তথ্য আয়োগের দ্বিতীয় আপিল ও অভিযোগ করতে কোন ফী দিতে হয় কি ?
উত্তরঃ জন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রথম আপিল এবং তথ্য আয়োগের কাছে দ্বিতীয় আপিল / অভিযোগ করতে কোনরকম ফী দিতে হয় না।

 
ত্রিপুরা তথ্যের অধিকার পোর্টাল
দপ্তর অনুসারে আপনার জন তথ্য আধিকারিক প্রথম আপীল কর্তৃপক্ষকে জানুন
বিভিন্ন বিভাগের তথ্য আধিকারিক সংক্রান্ত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
বিভিন্ন দপ্তর দ্বারা স্বতঃপ্রণোদিতভাবে দেওয়া তথ্য
সংযোগ (লিংক)
ত্রিপুরা স্টেট পোর্টাল
কেন্দ্রীয় তথ্য আয়োগ
আর টি আই পোর্টাল
সমস্ত রাজ্য কমিশনের সি.আই.সি