আপিল কর্তৃপক্ষের কাছে আপিল তারপর তথ্য কমিশনের কাছে যাওয়া - এই পন্থা অনুসরন না করে সরাসরি তথ্য কমিশনের কাছে আইনের ১৮(১) ধারায় আপনি অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। যদি আপনি জন তথ্য আধিকারিকের সিদ্বান্তে খুশি না হন বা যদি মনে করেন, জন কর্তৃপক্ষ আইনটি মানছেন না, তাহলে আপনি তথ্য কমিশনে অভিযোগ দায়ের করতে পারেন। এভাবে আপনি অভিযুক্ত আধিকারিকের জরিমানা ও ক্ষতিপূরণ চাইতে পারেন। আপিল আধিকারিকের এবিষয়ে নির্দেশ দেওয়া ক্ষমতা না থাকলেও, এসব ক্ষমতা তথ্য কমিশনের আছে।তথ্য কমিশনের কাছে সরাসরি গেলে, যদিও আপনি আপিল কর্তৃপক্ষকে পাশ কাটাতে পারবেন কিন্তূ মনে রাখবেন তথ্য কমিশনার এর এই ব্যাপারে রায়দানের কোন নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবুও ত্রিপুরা তথ্য কমিশন ৪৫ দিনের সময়সীমার মধ্যে অভিযোগের শুনানী সম্পন্ন করে তার সিদ্বান্ত দিয়ে থাকেন। যদি আপনি এই আইন মোতাবেক আপনার প্রার্থীত তথ্য না পেয়ে থাকেন, তখনই আপনার অভিযোগ দায়ের করতে পা্রেন। এর কিছু উদাহরন হল :

>> তথ্য আধিকারিক নিয়োগ করা হয়নি বলে যদি কোন দপ্তর আপনার আবেদন জমা না নেয়, অথবা সহকারি তথ্য আধিকারিক যদি আপনার আবেদন গ্রহন করতে অস্বীকার করেন;
>> আপনাকে কোন তথ্য না দেওয়া হয়;

পাতা: 1 | 2 | 3 | 4 | পরের পাতা