জন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক পরিচালিত কোন সরকারী সংস্থার অন্তর্গত কোন তথ্য পাওয়ার ক্ষেত্রে তথ্যের  অধিকার আইন আপনাকে ক্ষমতা প্রদান করেছে। আপনি যদি তথ্য পেতে অস্বীকৃত হন, আপনার আবেদন পাবার ৩০ দিনের মধ্যে তথ্য অধিকারী আপনাকে কিছু না জানান, বা তথ্য দিতে অস্বীকার করেন, তাহলে এই সংস্থান প্রথম আপিল অধিকারীর কাছে আপিল করতে পারেন। বিস্তারিত
কখন আপনি আপিল দাখিল করবেন যদি কোন ব্যাক্তি তথ্যের অধিকার আইনের ৭(১) বা ৭(৩) ধারা মোতাবেক কোন সিদ্বান্ত না পান অথবা জন তথ্য আধিকারিকের সিদ্ধান্তে  ক্ষুদ্ধ হন, তাহলে তিনি আইনে নির্দিষ্ট ৩০ দিনের মধ্যে আইনের ১৯(১)ধারা অনুয়ায়ী  জন তথ্য আধিকারিকের থেকে উ্চচপদস্হ বরিষ্ঠ আধিকারিক, যাকে প্রথম আপীল কর্তৃপক্ষ হিসাবে দপ্তর কর্তৃক নিযুক্তি দেওয়া হয়েছে, তার কাছে প্রথম আপিল দায়ের করতে পারেন।

  1. যদি বরিষ্ঠ আধিকারিক মনে করেন যে আপিলকারী গ্রহনযোগ্য কারনেই যথাসময়ে আপিল দায়ের করার ব্যাপারে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, সেই ক্ষেত্রে ওই আপিল ৩০ দিন সময়সীমার পরেও গৃহীত হবে।

১৯(২) ধারা অনুযায়ী আপিল যেখানে রাজ্য জন তথ্য  আধিকারিকের ১১ ধারা অনুসারে কোন তৃতীয় পক্ষের তথ্য প্রকাশ সম্পর্কিত, তৃতীয় পক্ষের আপিলটি আদেশের তারিখের ৩০ দিনের মধ্যে করতে হবে।
১৯(৩) (১) উপধারা অনুযায়ী সিদ্ধান্তটির পাওয়ার তারিখ বা ঐ সিদ্ধান্তটি যে তারিখের মধ্যে হওয়া উচিত ছিল, সেই তারিখ থেকে ৯০ দিনের মধ্যে ত্রিপুরা তথ্য  আয়োগের কাছে আপিল করা যেতে পারে।
  1. এই শর্তে যে রাজ্য তথ্য আয়োগ ৯০ দিন সময় সীমার  পরেও ঐ আপিল গ্রহন করতে পারেন যদি তারা এই বিষয়ে সন্তোষ্ট হন যে আপিলকারী পর্যাপ্তকারনেই সময়মত আপিল দায়ের করা থেকে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন।

১৯(৪) ধারা অনুযায়ী যদি রাজ্য জন তথ্য আধিকারিকের যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিলটি করা হয়েছে তা কোন তৃতীয়পক্ষ তথ্য সম্পর্কিত হয়, তাহলে ত্রিপুরা তথ্য আয়োগ ঐ তৃতীয়পক্ষকে বক্তব্য পেশের জন্য ন্যায়সঙ্গত সুযোগ দেবেন।


১৯(৭) ধারা অনুযায়ী  ত্রিপুরা তথ্য আয়োগের সিদ্ধান্ত পালন করা বাধ্যতামূলক।
১৯(৮) ধারা অনুযায়ী তথ্য আয়োগের সিদ্ধান্ত কার্যকর করার ব্যাপারে নিম্নোক্ত ক্ষমতা আছে -
  1. এই আইনের বিধানগুলি পালন করবার জন্য যে কার্যাবলী করা প্রয়োজন সেইগুলি করবার জন্য জন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পা্রেন, যথা-
    1. অনুরোধ অনুযায়ী কোন বিশেষ প্রকারে তথ্য প্রদান;
    2. কোন রাজ্য জন তথ্য আধিকারিক নিয়োগ করা;
    3. কোন তথ্য বা কোন কোন শ্রেনীর তথ্য  প্রকাশ করা;
    4. রেকর্ডের রক্ষনাবেক্ষন, ব্যবস্থাপন বা ধ্বংসপ্রক্রিয়া সংক্রান্ত পদ্ধতিতে প্রয়োজন ভিত্তিক পরিবর্তন সাধন করা;
    5. তথ্যের অধিকার সম্বন্ধে তার কর্মচারীদের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থার উন্নয়ন;
    6. ৪(১)(খ)ধারা অনুযায়ী বার্ষিক প্রতিবেদন প্রদান।
  2. অভিযোগকারীকে কোন লোকসান বা ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ করতে জন কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিতে পারেন;
  3. এই আইনের বিধান অনুসারে জরিমানার আদেশ দিতে পারেন;
  4. আপিল খারিজ করতে পারেন।

১৯(৯)ধারা অনুযায়ী  ত্রিপুরা তথ্য আয়োগ অভিযোগকারী ও জন কর্তৃপক্ষকে তার সিদ্ধান্ত ও এর বিরুদ্ধে আপিলের অধিকারের বিষয় নোটিশ দ্বারা জানিয়ে দেবেন।
১৯(১০)ধারা অনুযায়ী ত্রিপুরা তথ্য আয়োগ নির্দ্ধারিত পদ্ধতি অনুসারে আপিলের নিষ্পত্তি করবেন।
 
 
Submit Your Second Appeal
Submit a Drafted Appeal
Check Your Second Appeal Status
Check Your Complaint Status
Check Your Complaint Status
Check Your Complaint Status